Search

HOME / ৭ টি খুব শক্তিশালী প্রাকৃতিক অ্যান্টিবায়োটিক  !

৭ টি খুব শক্তিশালী প্রাকৃতিক অ্যান্টিবায়োটিক  !

Tanuja Acharya | ডিসেম্বর 19, 2018

৭ টি খুব শক্তিশালী প্রাকৃতিক অ্যান্টিবায়োটিক  !

যখন আমরা বিভিন্ন রোগের দ্বারা আক্রান্ত হই যেমন ভাইরাল জ্বর বা ফ্লু তখন চিকিৎসক আমাদের অ্যান্টিবায়োটিক দেন , কিন্তু আপনি কি জানেন এমন কিছু খাদ্য আছে যা প্রাকৃতিক ভাবে আমাদের শরীরে অ্যান্টিবায়োটিক এর কাজ করে ? !

এখানে কিছু তেমনই শক্তিশালী প্রাকৃতিক অ্যান্টিবায়োটিক এর অনুসন্ধান দেওয়া হলো-

 

১। হলুদ

হলুদ ভারতীয় রান্নায় ব্যবহার করা হয় প্রাচীন যুগ থেকে । হলু্দে যে কারকিউমিন নামে একটি পদার্থ আছে যা একে খুব কার্যকারী অ্যান্টিবায়োটিক বানিয়েছে যা প্রাকৃতিক ভাবে পাওয়া যায় । হলুদ খুব তাড়াতাড়ি ক্ষত সারিয়ে তোলে আর এবং জীবাণুমুক্ত করে ।

 

২। রসুন

রসুনে আছে অ্যালিসিন যা রসুন কে শক্তিশালী প্রাকৃতিক অ্যান্টিবায়োটিক বানিয়েছে  , এর সাথেও রসুনে আছে বিরোধী ভাইরাল , বিরোধী ফাংগাল , অ্যাণ্টীমাইক্রবিয়াল বৈশিষ্ট্য । এতে আছে উচ্চ মাত্রায় প্রাকৃতিক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট , রসুনে আছে শক্তিশালী রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা ।

 

৩। আদা

বৈজ্ঞানিক সম্প্রদায় রসুন কে আরও একটা প্রাকৃতিক অ্যান্টিবায়োটিক রুপে স্বীকৃতি দিয়েছেন । অনেক বৈজ্ঞানিক গবেষণায় বার বার উঠে এসেছে আদার প্রাকৃতিক গুন যা জীবাণু কে দমন করতে সক্ষম । আদা ব্যবহৃত হয় শরীরের জীবাণুর সংক্রমণ প্রতিরোধ করতে ।

 

৪। পেঁয়াজ

পেঁয়াজ হল খুব সমৃদ্ধ উৎস অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এর । অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীর কে রক্ষা করে মৌলে থেকে যার ফলে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী হয় ।

 

৫। মধু

মধু হল প্রাকৃতিক অ্যান্টিবায়োটিক যা প্রাচীন কাল থেকে ব্যবহৃত হচ্ছে। মধু তে আছে নানা রকম স্বাস্থ্যকর গুনাগুন । এটা অনেকদিন ধরে থাকা ক্ষত এবং পোড়া সারিয়ে তোলে আর শরীর থেকে সংক্রমণ বার করে দেয় ।

 

৬। আপেল সিডার ভিনিগার

আপেল সিডার ভিনিগারে আছে এসিটিক অ্যাসিড , ম্যালিক অ্যাসিড , খনিজ লবন , অ্যামিনো অ্যাসিড আর ভিটামিন । এই সবের উপস্থিতি আপেল সিডার ভিনিগার কে আরও বেশি শক্তিশালী প্রাকৃতিক অ্যান্টিবায়োটিক বানিয়েছে ।

 

৭। হর্স র‍্যাডিস ( মুলা )

অন্যান্য মশালের তুলনায়, হর্সারডিশ রুটের মধ্যে সর্বোচ্চ পরিমাণে সক্রিয় যৌগ রয়েছে- যা সব অত্যন্ত কার্যকরী। হর্স র‍্যাডিস এর গোঁড়া জ্বালানি ভাব কমায় , জীবাণুর সাথে আর ভাইরাসের সাথে লড়ে আর রোগ প্রতিরোধক ব্যবস্থাপনা কে উদ্দীপিত করে ।

ওপরের উল্লিখিত অ্যান্টিবায়োটিক অতন্ত্য শক্তিশালী আর উপকারী । এই অ্যান্টিবায়োটিক এর ভালো দিক হল এই গুলো ১০০ভাগ প্রাকৃতিক ।

 

    SHARE
  • whatsapp
  • fb
  • pin-trust
  • twitter

HOME / যদি আপনার উচ্চ রক্তচাপ থাকে তাহলে এই সব খাবার থেকে দূরে থাকুন !

যদি আপনার উচ্চ রক্তচাপ থাকে তাহলে এই সব খাবার থেকে দূরে থাকুন !

Tanuja Acharya |

BLOG TAGS

Health Information

যদি আপনার উচ্চ রক্তচাপ থাকে তাহলে এই সব খাবার থেকে দূরে থাকুন !

আজ কাল কার দ্রুত গতির জীবনে সব থেকে কঠিন সত্য হল উচ্চ রক্তের চাপ দেখা দেওয়া , আর এটা সাধারণত হয় অনিয়মিত জীবনধারার জন্য যার কারণে রক্তের চাপ বেড়ে যায় স্বাভাবিক মাত্রা থেকে আর যদি এই অবস্থা বেশি দিন স্থায়ী হয় তাহলে আপনার আগামি দিনে হৃদরোগ হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিতে পারে । খাদ্য অভ্যাস বদলালে আপনি রক্তের চাপ অনেকটাই নিয়ন্ত্রনে আনতে পারেন । যদি আপনি এই উচ্চ রক্তচাপ এর সমস্যায় ভুগছেন , তাহলে আমরা আপনাকে এমন কিছু পরামর্শ দেব বলব যাতে সঠিক ভাবে উচ্চ রক্ত চাপ নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন ।

 

১। চিনি আর লবন

শুনতে খুব অদ্ভুত  লাগলেও এই দুটি অতি প্রয়োজনীয় খাদ্য জিনিস আপনার রক্তের চাপ অস্বাভাবিক ভাবে বাড়িয়ে দেয় । আপনি এই রোগের ঝুঁকি অনেকটাই কম করতে পারেন যদি আপনি চিনি আর লবন খাওয়া কমিয়ে দেন । একজন সুস্থ ব্যক্তির জীবনে ২৩০০ মিলিগ্রাম এর বেশি সোডিয়াম লাগে না , একদম চিনি এড়িয়ে যাওয়া থেকে জরুরী সেই সব বাড়তি চিনি যা বিভিন্ন খাবারের মাধ্যম আপনার শরীরে ঢুকছে । আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশান একটা মাপ দিয়েছেন ৬ ছোট চা চামচ চিনি মহিলাদের ক্ষেত্রে আর ৯ চা চামচ চিনি পুরুষদের ক্ষেত্রে ।

 

২। প্যাকেটে থাকা স্যুপ

আপনি এটা দেখে আশ্চর্য হবেন কতো বেশি সোডিয়াম ব্যবহার করা হয় এই জাতীয় স্যুপে  । এই সব কোম্পানি গুলো বেশি করে সোডিয়াম ব্যবহার করে যাতে স্থায়িত্বকাল আর স্যুপ এর ব্যবহার বেশি করে বৃদ্ধি পায় । লবন নুডুলস আর অন্য সব্জির স্বাদ বাড়িয়ে তোলে, বাড়িতে স্যুপ বানানো অনেক বেশি সোজা আর অনেক বেশি সুস্বাদু । যদি আপনার টিন জাত স্যুপে কিনতে হয় সময়ের অভাবে তাহলে বাইরে গিয়ে রেস্তোঁরা এ তৈরি করা স্যুপ খান এতে সোডিয়াম কম থাকে ।

 

৩। প্যাকেটে থাকা টমেটো দিয়ে তৈরি পণ্য

যদি আপনি লক্ষ্য করেন দেখবেন বাড়িতে ফলানো টম্যাটো  আর বাজার থেকে কেনা টম্যাটো , এই দুইয়ের মধ্যে স্বাদ হলো আকাশ আর পাতাল । বাড়িতে ফলানো টম্যাটো অনেক বেশি স্বস্বাদু । টম্যাটো পন্য তৈরি হয় অনেক বেশি টম্যাটো উৎপাদনের ফলে যাতে সোডিয়াম মেশানো হয় কেচাপ আর সসেজ ভালো আর সুস্বাদু বানানোর জন্য আর এটা খুব ক্ষতিকারক উচ্চ রক্ত চাপের রোগীদের জন্য ।

 

৪। প্যাকেটে থাকা মাংসের পন্য

আগে থেকে তৈরি করা মাংসের পন্য যেমন বেকন , সসেজ , সালামি ইত্যাদি তে অনেক লবন থাকে যা মাংস কে অনেকদিন অবধি সংরক্ষণ করতে সাহায্য করে । এর থেকে ভালো আপনি তাজা খাবার খান , আর  যদি আপনি মাংস খেতে চান তাহলে কোনও মাংসের দোকান থেকে টাটকা মাংস কিনে আনুন ।

 

৫। মদ

মদ খুব ভালো জিনিস না স্বাস্থ্যের দিক থেকে দেখলে , এটা ভীষণ ক্ষতিকারক সেই সব ব্যক্তিদের জীবনে যাদের উচ্চ রক্তের চাপ আছে । মদে উচ্চ চিনির মাত্রা থাকতে পারে বা এটি চিনি বা অন্যান্য পানীয়র সঙ্গে মিশ্রিত করা হতে পারে। মদ খেলে জলবিয়োজন হয় , যা অতিরিক্ত মোটা হওয়ার লক্ষন , এই দুটোই খুব মারাত্মক তাদের জন্য যাদের হাইপার টেন্সান আছে ।

 

৬। বেকারির জিনিস

পেস্ট্রি , কুকি , কেক , ডোনাট আর বাকি বেকারির খাবার যাতে প্রচুর পরিমানে চিনি আর ফ্যাট আছে । যখন বাইরে খাবেন তখন মিষ্টির থালা সবার সাথে ভাগ করে নিন যাতে আপনি প্রয়োজনের বেশি না খেয়ে ফেলেন । যদি বাড়িতে বানান তাহলে বাড়িতে বানানো সস যেমন আপেল , খেজুর ,শুদ্ধ ম্যাপেল সিরাপ , শুদ্ধ মধু , আর চিনি যা নারকেল দিয়ে হয় । এর গ্লাইসেমিক স্তর খুব কম আর অন্য জরুরী অ্যান্টিঅক্সিডেণ্ট , ইলেক্ট্রোলাইট , আর পুষ্টি প্রদান করে ।

 

৭। তরল পানীয়

মাত্র এক বোতল সোডা বাই কার্বোনেট পানীয় যথেষ্ট আপনার ক্ষতি করতে যার মধ্যে  অতিরিক্ত চিনি থাকে । ক্যাফিন যুক্ত সোডা আপনার ফুর্তি তৎক্ষণাৎ বাড়িয়ে দেয় পান করার পরেই কিন্তু এই অনুভুতি ক্ষণস্থায়ী। হালকা চিনির চা বা কফি যাতে অল্প পরিমানে ক্যাফিন আছে  যা অনেক বেশি ভালো তরল পানীয়র থেকে , এর থেকেও ভালো ফলের রস খাওয়া বা পুদিনা দিয়ে জল খাওয়া , যা তৎক্ষণাৎ ফুর্তি আর তরতাজা ভাব আনে ।

আপনার স্বাস্থ্য আপনার হাতে , ক্ষণিকের ভালো লাগার জন্য নিজের জীবনের ঝুকি নেবেন না ।

 

    SHARE
  • whatsapp
  • fb
  • pin-trust
  • twitter

HOME / কিছু কার্যকর পদ্ধতি ত্বকের তেল নিয়ন্ত্রণ করার !

কিছু কার্যকর পদ্ধতি ত্বকের তেল নিয়ন্ত্রণ করার !

Tanuja Acharya |

কিছু কার্যকর পদ্ধতি ত্বকের তেল নিয়ন্ত্রণ করার !

আপনার ত্বক কি তৈলাক্ত আর নিস্তেজ ? আপনি কি ক্রমাগত ত্বকের তেল নিয়ন্ত্রণ করার জন্য বিউটি পার্লার এর দ্বারস্থ হচ্ছেন , অঢেল পয়সা খরচ করেও অবশেষে নিরাশ হচ্ছেন ? চিন্তা নেই , আমরা আপনার জন্য নিয়ে এসেছি কিছু ঘরোয়া উপায় তৈলাক্ত ত্বকের সমস্যা দূর করার ! তৈলাক্ত ভাব হয় সাধারণত সিরাম এর জন্য  ( মেদ থেকে ক্ষরিত রস ) যা উৎপাদন হয় মেদবহুল চর্বি থেকে যা আপনার ত্বকে থাকে । এটা প্রাকৃতিক আর্দ্রতা বজায় রাখে কিন্তু অতিরিক্ত উৎপাদন ত্বকের ক্ষতি করে , ত্বক নিস্তেজ করে, ব্রণ হয় আর ত্বকের ছিদ্রকে বন্ধ করে দেয় ।

নিচে কিছু পদ্ধতি দেওয়া আছে যা আপনার ত্বকের অতিরিক্ততৈলাক্ত কম করে । এই সহজ পদ্ধতি গুলো মেনে চললে আপনার ত্বক সারাদিন সতেজ আর সুন্দর দেখাবে ।

 

১। শোষক কাগজ (Blotting Papers )

এই কাগজগুলো খুব পাতলা, ম্যাট ফিনিশ কাগজ যা সহজেই যে কোনও সৌন্দর্য পণ্যর দোকানে পাওয়া যায় । শুধু ভালো করে এই কাগজ দিয়ে মুখ মুছে নিন আর নিজের ত্বক রক্ষা করুন তৈলাক্ত আর নিস্তেজ ভাব থেকে।এই কাগজ বাড়তি তেল শুষে নেয় যা আপনার ত্বকে বহু সময় ধরে আছে আর ভালো করে  মুখ পরিষ্কার করে ।

 

২। বাষ্প নেওয়া

আরও একটা পদ্ধতি ত্বকের তেল ভাব পরিষ্কার করার আর ছিদ্র এর মুখ খুলে দেওয়ার জন্য ত্বকে বাষ্পর দ্বারা । জল একটা পাত্রে গরম করুন  , তোয়ালের দ্বারা নিজের মুখ ঢেকে নিন আর ভালো করে বাষ্প নিন । এই ভাবে কিছুক্ষণ থাকুন , এতে আপনার ভিতর থেকে ছিদ্র গুলো পরিষ্কার করে খুলে দেয় । নিজের মুখ ভালো করে ঘরোয়া পদ্ধতির দ্বারা ঘষে নিন ( নিচে দেওয়া আছে ) , এবার ঠাণ্ডা জলে মুখ ধুয়ে নিন তৎক্ষণাৎ ছিদ্র বন্ধ করার জন্য ।

 

৩। পরিষ্কারক

যে সব ব্যক্তিদের তৈলাত্ত ত্বক তারা খুব বেশি ত্বক পরিষ্কার করেন না  , যদি আপনার তৈলাত্ত ত্বক হয় তাহলে আপনাকে পরামর্শ দেওয়া হল দিনে দুবার মুখ ধোবেন যে কোনও সময় যেটা আপনি সঠিক বোধ করবেন ভালো করে মুখ ধোওয়ার । রুক্ষ ত্বকের ঘষার জিনিস বা সুগন্ধি সাবান ব্যবহার করবেন না । এতে আপনার ত্বকের গঠনবিন্যাসে ক্ষতি হতে পারে । ত্বক পরিষ্কার করে আপনি ত্বক কে সাহায্য করেন তেল মুক্ত আর শুষ্ক থাকতে ।

 

৪। মুখের প্যাক

নিম্ন লিখিত যে কোনও মুখের প্যাক সপ্তাহে একবার লাগান , বাড়িতেই ব্যবহার করুন আর দেখুন কিভাবে ত্বকের তেল ভাব কম হয় ।

  • লেবুর সাথে দই – অর্ধেক লেবুর রসে দই মেশান । এবার মুখে লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেখে দিন তারপর ধুয়ে ফেলুন । লেবু প্রাকৃতিক ভাবে মুখ পরিষ্কার করে আর তেল ভাব কম করে আর দই ত্বকের মৃত কোষ সরিয়ে দেয় ।
  • মুলতানি মাটি – এক বা দু চামচ মুলতানি মাটি সাথে এক চামচ গোলাপ জল সাথে অর্ধেক লেবুর রস দিয়ে ভালো করে মিশ্রণ বানান আর মুখে লাগান । ১৫-২০ মিনিট রেখে দিন আর ধুয়ে ফেলুন । এটা খুব ভালো তেল শুষে নেয়।
  • পুদিনা প্যাক – এক গুচ্ছ পুদিনা নিন আর মধুর সাথে ভালো করে পিশে একটা মিশ্রন বানান , এবার এটা মুখে লাগিয়ে ১৫ মিনিট রাখুন আর তারপর ধুয়ে ফেলুন

 

৫। ত্বকের মৃত কোষ দূর করা (Exfoliate)

হ্যাঁ ! যাদের তৈলাক্ত ত্বক তাদের এই পদ্ধতিটা সপ্তাহে ১ বা ২ বার করা উচিত। স্ক্রাবিং করলে মৃত কোষ গুলি বেরিয়ে যায় আর ত্বক কে রক্ষা করে তেল , ব্রণ , ফুসকুড়ি , হোয়াইট হেড আর ব্ল্যাকহেড থেকে । আপনি ঘরোয়া স্ক্রাব ব্যাবহার করতে পারেন যেমন –

  • বাদামি চিনি আর লেবু
  • সাদা চালের গুড়ো সাথে আদা আর মধু
  • বেকিং সোডা সাথে মধু আর লেবু

 

৬। গোলাপ জল থেরাপি

স্কিন কে টান টান করুন প্রাকৃতিক উপায়ে টোনার দিয়ে যেমন গোলাপ জল যা ত্বক পরিষ্কার করার পর খোলা ছিদ্র গুলো বন্ধ করতে সাহায্য করে আর অতিরিক্ত তেল কে দূরে রাখতে সাহায্য করে ।

 

৭ । ময়েশ্চারাইজার

 

অনেক লোকেরা বিশ্বাস করেন যে ময়েশ্চারাইজার লাগালে ত্বকের ক্ষতি হবে আর আরও বেশি তৈলাক্ত হয়ে যাবে । কিন্তু এটা সঠিক না । আপনি ত্বকের জন্য যথেষ্ট আর্দ্রতা আনতে পারেন ময়েশ্চারাইজার ব্যবহারের ফলে যা আপনার ত্বকের জন্য উপযুক্ত আর কম তেলচিটে । প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন যেমন অ্যালভেরা বা সেই সব পন্য যাতে প্রচুর পরিমানে অ্যালোভেরা আছে ।

কি করে নিজের ত্বক কে তৈলাক্ত হওয়া থেকে বাঁচাবেন ? যদিও এটা স্থায়ীভাবে নির্ণীত হয় না , তাও আপনি কিছুটা হলেও সেই তেল আটকাতে পারেন । ভাজা খাবার খাবেন না আর অতিরিক্ত মেক আপ করবেন না ত্বকের তেলা ভাব লোকাতে । এতে ফল খারাপ হবে । তেল মুক্ত মেক আপ ব্যবহার করুন যা নমনীয় আর আপনার ত্বকে উপযুক্ত , যদি এই অবস্থার উন্নতি না ঘটে বা আরও বাজে দিকে যায় তাহলে ত্বক বিশেষজ্ঞ এর পরামর্শ নিন ।

 

    SHARE
  • whatsapp
  • fb
  • pin-trust
  • twitter

HOME / কেন আপনি প্রস্রাব এর বেগ নিয়ন্ত্রণ করবেন না ?

কেন আপনি প্রস্রাব এর বেগ নিয়ন্ত্রণ করবেন না ?

Tanuja Acharya |

কেন আপনি প্রস্রাব এর বেগ নিয়ন্ত্রণ করবেন না ?

যখন আপনার প্রসাব এর বেগ আসবে  , তখন আপনাকে যেতেই হবে! যখন আপনার মূত্রনালি অর্ধেক ভরে যাবে মূত্র তে তখন আপনার মস্তিস্ক তে সংকেত যাবে । তখন মস্তিস্ক আমাদের নির্দেশ দেবে প্রস্রাব করতে যেতে, আর মূত্রনালি কে জানাবে কিছুক্ষণ মূত্র নিয়ন্ত্রণ করতে ।

একটা সুস্থ মূত্রনালি ২ কাপের মতো মূত্র ধরে রাখতে পারে, যদিও প্রতিদিনের অভ্যাসে এই মূত্র আটকে রাখা মোটেই ভালো অভ্যাস না , কেন সেটা নিচে দেওয়া আছে ঃ

 

১। বেদনাদায়ক

যে সব ব্যক্তিরা প্রতিদিনের অভ্যাসে প্রস্রাব চেপে রাখেন তাঁরা কিডনি আর মূত্রনালী তে বেদনা অনুভব করেন । এমন কিছু ক্ষেত্রে যখন কোনও ব্যক্তি প্রস্রাব করার ইচ্ছা অনুভব করেন তখন তারা প্রস্রাব করতে যন্ত্রণা অনুভব করেন।

 

২। মূত্রনালীর সংক্রমণ -Urinary Tract Infections (UTIs)

মুত্রনালির সংক্রমণ তখন হয় যখন জীবাণু মূত্রনালীর কোষে রয়ে যায়, প্রস্রাব চেপে রাখার অভ্যাস এই জীবাণু গুলো কে দ্বিগুণ আকারে করে দেয় আর পুরো মূত্রনালি তে ছড়িয়ে পরে যার ফলে মুত্রনালির সংক্রমণ দেখা দেয়। চিকিৎসক দের মতে আপনার যদি বার বার এই সংক্রমণ হওয়ার প্রবণতা থাকে , তাহলে আপনার প্রস্রাব চেপে রাখা একদম উচিত না ।

কিছু সাধারণ লক্ষন মুত্রনালির সংক্রমনের

  • জ্বালা এবং যন্ত্রণাদায়ক অনুভূতি প্রস্রাব করার সময়
  • তল পেটে ব্যাথা
  • বার বার অনুভূতি মূত্রনালি খালি করার
  • বাজে আর কড়া গন্ধ
  • অস্পষ্ট , হালকা রঙে বা ঘন রঙের প্রস্রাব
  • প্রস্রাবে রক্ত

 

৩। প্রসারিত মূত্রনালি

প্রতিদিনের অভ্যাসে প্রস্রাব চেপে রাখা অনেক দিন ধরে , যা আপনার মুত্রনালির পেশী কে প্রসারিত করে । একবার প্রসারিত হয়ে গালে , মুত্রনালির পক্ষে খুব কঠিন নিয়ন্ত্রণ আর প্রাকৃতিকভাবে প্রস্রাব মুক্ত করা । খুব চরম ক্ষেত্রে কিছু অতিরিক্ত ব্যবস্থা যেমন মুত্রনিস্কাশন যন্ত্র ব্যবহার করা হয় ।

৪। সমতল  পেলভিক পেশী তে ক্ষতি

প্রস্রাব চেপে রাখলে সমতল পেলভিক পেশীতে ক্ষতি সৃষ্টি করে , যে পেশীটা সব থেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয় তা হল ইউরিয়াথ্রাল স্পিঙ্কার । ইউরিয়াথ্রাল স্পিঙ্কার মূত্রনালি কে বন্ধ রাখে মূত্র ফাঁস না হয়ে যায়। এই পেশী ক্ষতি হলে প্রস্রাব চেপে রাখা দুষ্কর হয়ে যাবে যেমন – অনিচ্ছাকৃত প্রস্রাব বেরিয়ে আসা । যাইহোক কেজেল অনুশীলন ( পেলভিক সমতল অনুশীলন ) যা পেশীকে প্রসারিত করে , অনিচ্ছাকৃত মূত্র কে নিয়ন্ত্রণ করে আর পেশীর ক্ষতি কে সারিয়ে তোলে ।

 

৫। কিডনি তে পাথর

মূত্র তে আছে খনিজ পদার্থ যেমন ইউরিক অ্যাসিড আর ক্যালসিয়াম অক্সালেট । যে সব ব্যক্তিদের উচ্চ খনিজ পদার্থ আছে মূত্র তে বা পূর্ব ইতিহাস আছে কিডনি তে  পাথর হওয়ার , তাহলে তাদের বেশি প্রবণতা থাকে কিডনি তে পাথর হওয়ার যদি তারা প্রস্রাব চেপে রাখেন । এই প্রভাব সত্ত্বেও , কখনও এমন হয় আপনি পরিষ্কার প্রসাবাগার পাচ্ছেন না প্রস্রাব করার , আপনার কাছে আর কোনও উপায় নেই প্রস্রাব নিয়ন্ত্রণ করা ছাড়া , তাহলে কি ভাবে করবেন তার কিছু উপায় ।

  • নিজেকে কাজে ব্যাস্ত রাখুন যা আপনার মস্তিস্ক কে ব্যাস্ত রাখবে , যেমন কোনও ধাঁধা বা খেলায়
  • গান শুনুন
  • যদি আপনি বসে থাকেন তাহলে সেই ভাবে বসে থাকুন
  • বই পড়ুন
  • সামাজিক মিডিয়া তে ব্যাস্ত থাকুন
  • গরম কিছু পান করার মাধ্যমে নিজেকে গরম রাখুন

Sources: Everyday Health, Healthline, Medical News Today, Pampers, Time Magazine,  Verywell Health

    SHARE
  • whatsapp
  • fb
  • pin-trust
  • twitter

HOME / তামার কাপে জল খাওয়ার কি কি উপকারিতা আছে ?

তামার কাপে জল খাওয়ার কি কি উপকারিতা আছে ?

Tanuja Acharya | ডিসেম্বর 10, 2018

BLOG TAGS

Health Information

তামার কাপে জল খাওয়ার কি কি উপকারিতা আছে ?

আপনি হয়তো শুনেছেন প্রাচীন কালে তামার পাত্র তে জল খাওয়ার অভ্যাস , কিন্তু সাম্প্রতিক কালে ফিল্টার এর  যুগে যেমন উভি ( UV ) আর আর ও ( RO ) সংশোধক আসা তে মানুষ তামা ব্যবহার করা প্রায় ছেড়ে দিয়েছে । প্রাচীনকালে আয়ুর্বেদের মতে পানীয় জল তামার পাত্রে ব্যবহার  মানুষের শরীরের প্রচুর উপকারিতা আনে ।

 

১। মস্তিস্ক উদ্দীপিত করে

তামার পাত্রে জল খেলে মস্তিস্ক উদ্দীপিত হয় । এতে মস্তিক কে বেশি সক্রিয় , মস্তিস্কের ক্রিয়া ধারালো  , আর বুদ্ধি প্রখর করে ।

 

২। আর্থারাইটিস এর ব্যাথায় আরাম দেয়

তামা তে আছে শক্তিশালী বিরোধী প্রদাহজনক বৈশিষ্ট্য । এই বৈশিষ্ট্য খুব কার্যকারী ব্যাথা আর জন্ত্রনার জন্য , বিশেষ করে সেই সব ব্যাথা যা আর্থারাইটিস আর (rheumatoid ) ফোলানো আর্থারাইটিস এর  উৎস । এর সাথে যোগ করে , তামা হাড় আর রোগ প্রতিরোধক ব্যবস্থাপনা কে শক্তিশালী করে ।

 

৩ । ত্বক ভালো রাখতে সাহায্য করে

তামা হল এমন এক  মূল উপাদান মেলানিন – একটি রঙ্গক যা আপনার চোখের রঙ, চুলের রঙ আর ত্বকের রঙ  নিয়ন্ত্রণ করে । তামা নতুন কোষ জন্ম দেয় যা ত্বক পরিপূর্ণ করে আর ত্বক নরম আর কোমল বানায় ।

 

৪। থাইরয়েড গ্রন্থির কাজ নিয়ন্ত্রণ করে

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা লক্ষ্য করেছেন বেশির ভাগ মানুষ যারা থাইরয়েডে ভুগছেন তাদের শরীরের তামার অভাব দেখা গেছে । যদিও শরীরে তামার নিম্ন স্তর দেখা যায় যাদের হাইপার থাইরয়েড আছে ( বেশি থাইরয়েড হরমোন ) আর যারা হাইপো থাইরয়েড এর ভুগছেন ( নিন্ম স্তর থাইরয়েড হরমোন এর  ) তারাও তামার অভাব শরীরে বহন করেন ।

 

৫। বয়েস কম করার প্রক্রিয়া

তামা তে আছে শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেণ্ট আর নতুন কোষ জন্ম দেওয়ার বৈশিষ্ট্য, এটা শরীর কে স্বাধীন মৌল থেকে রক্ষা করে যার ফলে  ত্বকে সূক্ষ্ম দাগ আর বলিরেখার উৎপত্তি হয় ।

 

৬। হজম শক্তি বৃদ্ধি পায়

তামা শুধু খাদ্যনালি পরিষ্কার আর বিশুদ্ধ করে তা শুধু নয় ,  যকৃৎ (লিভার ) আর বৃক্ক (কিডনি) র কাজ কেও নিয়ন্ত্রণ করে । তামা শরীর থেকে বর্জ্য পদার্থ বার করে আর পুষ্টি কে সঠিক ভাবে খাবারের দ্বারা শরীরে বিভিন্ন অংশে পৌছাতে সাহায্য করে ।

 

৭। ক্ষতিকারক জীবাণু ধংস করে

তামার পাত্রে জল রাখা আর তামার কাপে জল খাওয়া প্রাকৃতিক ভাবে শুদ্ধি  তৈরি করে শরীরে । তামা সেই সব অনুজিব ধংস করে যেমন ব্যাকটেরিয়া , ফাঙ্গি আর জল কে পানের উপযোগী করে তোলে ।

 

৮। অ্যানেমিয়া থেকে মুক্ত করে

তামা শরীরে থাকা নানা প্রক্রিয়ার মধ্যে সব থেকে প্রাথমিক উপাদান , নতুন কোষ জন্ম দেওয়া থেকে শুরু করে আয়রনের শোষণক্রিয়া , তামা শরীরের জন্য খুব কার্যকারী খনিজ পদার্থ ।

 

৯। ক্যান্সার আর হৃদ রোগের সম্ভাবনা কমায়

 তামার অ্যান্টিঅক্সিডেণ্ট বৈশিষ্ট মুক্ত মৌল থেকে লড়াই করে আর তাদের ক্ষতিকারক প্রভাব কে অকার্যকর করে । এই মৌল গুলো ক্যান্সার হওয়ার মূল কারণ । এ ছাড়াও তামা ,রক্তের চাপ্‌, হার্ট রেট , নিন্ম ক্ষতিকারক কোলেস্টেরল , শরীরের ট্রাইগ্লিসারাইড কম করতে সাহায্য করে ।

 

সময়ের সাথে আমারা বুঝেছি কি ভাবে আমাদের পূর্ব পুরুষেরা এই তামার ব্যবহারের সুবিধা নিত । তাই তামার পাত্রে জল খাওয়া শুরু করে দিন আর দৈনন্দিন জীবনের গ্লাস বর্জন করুন।

    SHARE
  • whatsapp
  • fb
  • pin-trust
  • twitter

HOME / ১২ টা খাবার যা আপনার লিভার কে পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে

১২ টা খাবার যা আপনার লিভার কে পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে

Tanuja Acharya |

১২ টা খাবার যা আপনার লিভার কে পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে

লিভার আমাদের শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা রক্ত কে শোধন করে , যা পাচনতন্ত্র থেকে প্রবাহিত হয় পুরো শরীরে যাওয়ার আগে । লিভার রাসায়নিক পদার্থ ডিটক্স করে , ওষুধ বিপাক , আর শরীর থেকে ক্ষতিকারক পদার্থ বের করতে সাহায্য করে ।

লিভারের সঠিক ভাবে সক্রিয় করার জন্য , এখানে এমন কিছু খাবার দেওয়া আছে যা লিভার কে পরিষ্কার করে , সে গুলো হল ঃ

 

১। বিট

বিটে আছে প্রচুর পরিমানে পুষ্টি যা ক্ষতিকারক উপাদান সরিয়ে দেয় আর লিভার পরিষ্কার করার উপাদানে ভরপুর । বিটে থাকা বিরোধী প্রদাহ প্রকৃতি যা লিভার কে সাহায্য করে বিষাক্ত উপাদান সরাতে আর লিভার পরিষ্কার রাখতে ।

 

২। গাজর

গাজরে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেণ্ট লিভার থেকে ক্ষতিকারক পদার্থ কমায়

 

৩। গ্রিন টি

গ্রিন টি শরীরে অ্যান্টিঅক্সিডেণ্ট উৎপাদন করতে সাহায্য করে , যা শরীর কে রক্ষা করে অ্যালকোহলযুক্ত ফ্যাটি লিভার এর সমস্যাতে ।

 

৪। আপেল

আপেলে আছে পেক্তিন আর ম্যালিক অ্যাসিড , যা শরীরে থাকা ক্ষতিকারক পদার্থ আর ক্যান্সার এর উৎপাদক কে সরিয়ে দেয় ।

 

৫। ব্রকলি

ব্রকলি হল এক ধরনের ব্রাসিকা সবজি , এই সবজি লিভারে চর্বি জমতে দেয় না , তাই এটি লিভার কে রক্ষা করে কোনও রকম লিভার সমক্রমক রোগ আর সংক্রমণ থেকে ।

 

৬। লেবু

লেবু তে আছে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন সি , আর এটা লিভার কে রক্ষা করে ক্ষতি হওয়া থেকে ।

 

৭। আখরোট

আখরোটে আছে উচ্চ পরিমানে ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড যা লিভার থেকে ক্ষতিকারক পদার্থ সরায় আর লিভার পরিষ্কার রাখে ।

 

৮। বাঁধাকপি

বাঁধাকপি তে আছে উচ্চ পরিমানে সালফার যা লিভার থেকে উপবিষ্ট ভেঙে দেয় যাতে সহজেই শরীর থেকে বেরিয়ে যায় ।

৯। ফুলকপি

ফুলকপি লিভার থেকে উপবিষ্ট বার করতে সাহায্য করে

 

১০। পালং শাক

সবুজ শাক যেমন পালং লিভার কে সুস্থ আর কার্যকারী রাখে

 

১১ । রসুন

রসুন এ আছে উচ্চ পরিমানে অ্যালিসিন আর সেলেনিয়াম ২ প্রাকৃতিক মিশ্র যা লিভার কে পরিষ্কার করে

 

১২। হলুদ

হলুদ লিভারে থাকা উপবিষ্ট সরিয়ে দেয় আর সাহায্য করে লিভারে থাকা পিত্ত উৎপাদনে ।

 

    SHARE
  • whatsapp
  • fb
  • pin-trust
  • twitter

HOME / কিছু বাস্তু পরামর্শ আপনার স্নান ঘরের জন্য !

কিছু বাস্তু পরামর্শ আপনার স্নান ঘরের জন্য !

Tanuja Acharya |

কিছু বাস্তু পরামর্শ আপনার স্নান ঘরের জন্য !

বাস্তু শাস্ত্র ভারতবর্ষের সাথে সংযুক্ত , আর এটা সব থেকে পুরনো বিজ্ঞান পৃথিবীর ইতিহাসে । সময়ের সাথে অনেক দেশ এই বাস্তু শাস্ত্র বিজ্ঞান কে সানন্দে গ্রহন করেছেন , কিন্তু বিভিন্ন নামে । এটা এক ধরনের জ্ঞান, যা  ব্রহ্মাণ্ড এর শক্তি কে সঠিক ভাবে বোঝা আর সঠিক প্রয়োগ করা হয় মানব জাতির স্বার্থে , বাস্তু শাস্ত্র তে অনেক রকম প্রক্রিয়া আছে যার সাহায্যে সংসারে সুখ আর সমৃদ্ধি আনা যায় অশুভ শক্তি কে দমন করে ।

বাস্তু শাস্ত্র ঘরের প্রত্যেক কোণের  তাৎপর্য এবং উপকারিতা বিশ্লেষণ করে, পরামর্শ দেয় বাড়ির সব ঘর যেমন শোয়ার ঘর , পূজার ঘর রান্নাঘর , স্নান ঘর ইত্যাদির অবস্থান হওয়া উচিত কোন দিকে । সাম্প্রতিক কালে স্নান ঘরের মধ্যে শৌচালয় থাকে যেমন ফ্ল্যাট বা অ্যাপার্টমেন্ট এ । সে ক্ষেত্রে , আপনাকে বলে রাখি কোথায় আর কি ভাবে স্নান ঘর আর শৌচালয় বানাবেন বাস্তু শাস্ত্র মেনে ।

 

১। শৌচালয় এর দিক নির্বাচন

সর্ব প্রথমে জানতে হবে বাড়ির কোন স্থানে আপনি স্নান ঘর বানাতে চান । বাড়ির উত্তর – পশ্চিম দিক ( মনে রাখবেন উত্তর – পশ্চিম কোণায় না  উত্তর – পশ্চিম দিক ) সব থেকে ভালো স্নান ঘরের জন্য ।

দ্বিতীয় জায়গা হল উত্তর পূর্ব দিক ( মনে রাখবেন উত্তর পূর্ব কোণায় না , দিক বলা হয়েছে ) আর দক্ষিন পশ্চিম দিক কিন্তু দক্ষিন পশ্চিম কোণায় না । আপনি স্নান ঘর বানাতে পারেন এই সব দিক গুলো মাথায় রেখে । জানালা আর ভেন্টিলেটর পূর্ব বা উত্তর দিকে হতে হবে ।

 

২। স্নান ঘরের দেয়ালের রঙ

স্নান ঘরের জন্য সঠিক দিক নির্বাচনের পর, আপনাকে সঠিক যত্ন নিতে হবে দেয়াল আর অন্য জিনিসপত্রে যেমন – গিজার , স্নানাগার , কল , আয়না , কমড সীট , বেসিন , ইত্যাদি । উত্তর দিকের দেওয়াল ব্যবহার করুন কল আর সাওয়ার এর জন্য আর আয়না রাখুন পূর্ব দিকে ।

কমড সীট মাটি থেকে একটু ওপরে করুন আর পশ্চিম বা উত্তর – পশ্চিম দিকে সেটা বসান । গিজার এর জন্য দক্ষিন –পূর্ব দিক উপযুক্ত আর বাথ টাব এর জন্য পশ্চিম দিক উপযুক্ত আর পূর্ব দিকে বেসিন রাখুন । স্নান ঘরের দেওয়ালে উজ্জ্বল কিন্তু হালকা রঙ লাগান ।

 

৩। স্নান ঘরের জিনিস রাখার জায়গা

যদি আপনি স্নান ঘরের তাক বানাতে চান যেখানে সব জিনিস রাখবেন তাহলে সেটা দক্ষিণ পশ্চিম দিক হতে হবে । ওয়াসিং মেসিন রাখার উপযুক্ত জায়গা দক্ষিন- পূর্ব বা উত্তর পূর্ব দিক ।

 

৪। আরও কিছু জরুরী কথা মাথায় রাখতে হবে

  • চেষ্টা করবেন স্নান ঘর আর শৌচালয় এর স্থান যেন আলাদা হয়
  • অ্যাটিক শৌচালয় যেন কখনই দক্ষিণ-পশ্চিম বা দক্ষিণ- পূর্ব দিকে না হয়
  • দেখবেন শৌচালয় এর জায়গা যেন স্নান এর জায়গা থেকে একটু ওপরে থাকে
  • স্নান ঘরের প্রধান দরজা যেন পূর্ব বা উত্তর দেয়ালে থাকে

সব থেকে ভালো উপায় কোনও ভালো নির্মাণকারীর সাহায্য নিন যখন বাড়ি তৈরি করবেন বা সারাবেন তাহলে বাস্তু অনুযায়ী করলে বাড়িতে ইতিবাচক শক্তি বিরাজ করবে ।

 

Image Source: Pixabay, Wikimedia Commons

    SHARE
  • whatsapp
  • fb
  • pin-trust
  • twitter

HOME / শীতকালে কি ভাবে খুসকির সমস্যার মোকাবিলা করবেন ?

শীতকালে কি ভাবে খুসকির সমস্যার মোকাবিলা করবেন ?

Tanuja Acharya |

শীতকালে কি ভাবে খুসকির সমস্যার মোকাবিলা করবেন ?

শীতকালে এসে গেছে , সাথে চলে এসেছে বেশি করে আপনার চুলের যত্ন নেওয়ার সময় । শীতকালে বাতাসে জলীয় বাষ্প কম থাকায় আর্দ্রতার অভাবে চুল , ত্বক সব শুষ্ক হয়ে পড়ে । এই সময়ের এক বিশাল সমস্যা হলো চুলের খুসকি । যখন মাথা খুব কম বা একদম আর্দ্রতাহীন হয়ে যায় তখন এর ফলে সাদা সাদা পরত দেখা যায় মাথার চামড়ায় সেটা আর কিছু না খুসকি । সঠিক ভাবে চুলের যত্ন নিলে এই শীতকালীন খুসকি থেকে সহজেই মুক্তি পাওয়া যেতে পারে ।

ভারতবর্ষের মতো গ্রীষ্মকালীন দেশে প্রতিদিন খাবার শেষে দই খাবার প্রচলন আছে । এক কাপ দই এর সাথে এক টুকরো লেবু আপনার মাথার চামড়ায় লাগান , এর ফলে খুব সহজেই শীতকালীন খুসকি থেকে মুক্তি পাবেন ।

এখানে কিছু সহজ উপায় দেওয়া আছে খুসকি থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার , আর আপনার মাথার চুলের এবং চামড়ার  যত্ন নেওয়ার শীতকালে অতিরিক্ত ঠাণ্ডা আবহাওায় তে –

 

১। আদা

ছোট একটা আদার টুকরো ছেঁচে নিন আর তার রস বার করে নিন । এর পর এই রস মাথায় লাগিয়ে ৩০ মিনিট রাখুন । এবার ভালো করে মাথা ধুয়ে নিন কোনো ভালো শ্যাম্পু দিয়ে । মাসে এক থেকে দুবার করুন । এতে খুসকি খুব তাড়াতাড়ি নির্মূল হয় কারণ এতে আছে ফাঙ্গাল না হওয়ার বৈশিষ্ট্য যা আপনার মাথার চামড়া  কে খুসকি থেকে মুক্ত করে ।

 

২। আপেল সিডার ভিনিগার

শুধু তিন ভাগের এক ভাগ জল সাথে আপেল সিডার ভিনিগার একটা বোতলে ভালো করে মিশ্রিত করুন , আর নিজের মাথায় ভালো করে লাগান , এক ঘণ্টা মাথায় রাখুন আর শ্যাম্পু দিয়ে ভালো করে ধুয়ে নিন । এটা খুব কার্যকারী কারণ আপেল সিডার ভিনিগারের অ্যাসিড আপনার মাথার চামড়ার পি এইচ এর স্তর এ সামঞ্জস্য রাখে আর যার ফলে খুসকি থেকে মাথা মুক্ত করে ।

 

৩। চা গাছের তেল

চা গাছের তেল বেছে  নিন আর শ্যাম্পু যা আপনার মাথার চামড়া তে আর্দ্রতা বজায় রাখে যা খুসকি হতে দেয় না , শুধু মাথায় ভালো করে চা গাছের তেল লাগান আর প্রতিদিনের মতো ভালো করে চুল ধুয়ে নিন , এটা সপ্তাহে ২ বার করুন আর পার্থক্য দেখুন ।

 

৪। বেকিং সোডা

হ্যাঁ ! আপনার রান্না ঘরেই খুব শক্তিশালী আর সহজ উপায় আছে খুসকি থেকে মুক্তি পাওয়ার । শুধু এক মুঠ বেকিং সোডা মাথায় ভালো করে ঘষে ভালো করে উষ্ণ গরম জলে ধুয়ে নিন , মনে রাখবেন শ্যাম্পু করবেন না । এতে আপনার মাথার চামড়া তে জমে থাকা ফাঙ্গাল বা জীবানু একদম নির্মূল করে আর প্রাকৃতিক তেল উৎপাদন করে ।

 

৫। অ্যালো ভেরা থেরাপি বা চিকিৎসা

অ্যালো ভেরা সব থেকে শক্তিশালী উপায় আপনার ত্বক আর চুলের সমস্যার জন্য। অ্যালো ভেরার কোমল পিণ্ড সাথে এক টুকরো লেবু নিয়ে নিয়ে মাথায় লাগান । ভালো করে মালিশ করুন আর কিছুক্ষণ রেখে দিন , মাথা ভালো করে উষ্ণ গরম জলে ধুয়ে নিন । লেবু তে আছে ফাঙ্গাল না হওয়ার বৈশিষ্ট্য আর অ্যালো ভেরা প্রাকৃতিক আর্দ্রতা আনে আর এই দুটির সম্মেলনে খুসকি প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে ।

 

কিছু আরও পরামর্শ যা আপনাকে খুসকি থেকে পরিত্রাণ পেতে সাহায্য করবে

  • গরম জলে চুল ধোবেন না – “সব সময় চুল ঠাণ্ডা বা উষ্ণ গরম জলে ধোবেন আর খুব গরম জলে স্নান করবেন না”  – এই বিজ্ঞাপন চুল বিশেষজ্ঞ জাবেদ হাবিব এর থেকে সংগ্রহীত ।
  • জলের তাপমাত্রা ছাড়াও , সপ্তাহে প্রতিদিন চুল ধোয়া থেকে বিরতি দিন । ১ থেকে ২ বার ধোবেন । এর কারণ বেশি চুল ধুলে মাথার আর্দ্রতা হারায় আর খুসকি সৃষ্টি করে ।
  • চিন্তা – নিজের চিন্তা ভাবনা কম করুন ।সঠিক আহার করুন আর প্রচুর পরিমানে জল খান
  • চুল ধোয়া – ভালো করে চুল ধুয়ে নেবেন যদি আপনি কোনও জেল বা চুলের স্প্রে লাগান । কারণ এতেও আপনার মাথায় শুষ্কতা আনে আর খুসকি সৃষ্টি করে ।
  • চুল আঁচড়ান – মনে রাখবেন দিনে অন্তত ২ বার চুল আঁচড়াবেন যাতে শুষ্ক মৃত কোষ গুলি ঝরে যায় ।

Image Source – Pixabay, Pixnio, Pxhere

    SHARE
  • whatsapp
  • fb
  • pin-trust
  • twitter

HOME / ৭ টা খাবার যা বাচ্চাদের কখনই দেবেন না

৭ টা খাবার যা বাচ্চাদের কখনই দেবেন না

Team BetterButter | ডিসেম্বর 4, 2018

৭ টা খাবার যা বাচ্চাদের কখনই দেবেন না

বাচ্চাদের স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া উচিত কিন্তু সব সময় সেটা সম্ভব হয়ে ওঠেনা , কারণ ছোট ছোট বাচ্চারা মাঝে মাঝে তাদের পছন্দের কিছু খাবার খেতে চায় যেগুলো হয়তো স্বাস্থ্যকর নয় । কখনও কখনও বাচ্চাদের সে সমস্ত খাবার দিতে অভিভাবকরা বাধ্য হয় ,। বাচ্চাদের এই পছন্দের খাবারের মধ্যে এমন কিছু খাবার আছে যা বাচ্চাদের দেওয়া যায় যদিও তা খুব স্বাস্থ্যকর না কিন্তু এমন কিছু কিছু খাবার আছে যার জন্য একটা কথাই প্রযোজ্য বাচ্চাদের জন্য একদম না ।

এখানে কিছু খাবারের তালিকা আছে যা বাচ্চাদের একদম খাওয়াবেন না ঃ

 

১। ফলের রস

সুত্র-https://www.maxpixel.net/static/photo/1x/Fruit-Juices-Tomatoes-Tomato-Juice-Tomatoes-Juice-810036.jpg  

বাচ্চারা আর তাদের অভিভাবকেরা দুজনেই ফলের রস খেতে ভালো বাসেন । এই সব বোতলের ফলের রসের রঙ, লেবেল আর সুন্দর বিজ্ঞাপন এই সব ফলের রস কে আরও বেশি আকর্ষণীয় করে তোলে। যদিও এই সব ফলের রস খুব মিষ্টি আর প্রচুর পরিমাণে চিনি আছে । বাচ্চাদের সারাদিনের চিনির পরিমাপের থেকে অনেক বেশি চিনি থাকে এই সব ফলের রসে ।

অতিরিক্ত চিনির মাত্রা বাচ্চাদের পক্ষে ক্ষতিকারক । অনেক গবেষণার দ্বারা জানা গেছে চিনি তে দাঁত নষ্ট হয় , হৃদ রোগের আশঙ্কা থাকে আর অতিরিক্ত মোটা হওয়ার সম্ভাবনা দেখা যায় । এর ফলে বাচ্চাদের আচরণে প্রভাব দেখা যায় ।

 

২। প্রক্রিয়াকৃত মাংস

সুত্র –  https://cdn.pixabay.com/photo/2014/09/07/19/11/grill-438218_960_720.jpg  

প্রক্রিয়াকৃত মাংস তে আছে প্রচুর পরিমানে প্রিজারভেটিভ বা সংরক্ষক আর অস্বাস্থ্যকর চর্বি আর আছে উচ্চ পরিমানে লবন আর সোডিয়াম । প্রক্রিয়াজাত মাংস খাওয়ার জন্য শিশুদের উৎসাহিত করা মানে (চিকেন প্যাটিজ, হ্যাম, সসেজ, ইত্যাদি) তাদের জীবনে হৃদরোগ ও অন্যান্য সমস্যাগুলির ঝুঁকি বাড়িয়ে দেওয়া ।

 

৩। ফ্ল্যাশ ফ্রায়েড ( ভাজা ) খাবার

সুত্র-  https://commons.wikimedia.org/wiki/File:KFC_-_Pressure-fried_Chicken_Wings_-_Kolkata_2013-02-08_4444.JPG

এই সব ভাজা খাবারে থাকে অনেক বেশি সংরক্ষক বা প্রিজারভেটিভ আরও অনেক কিছু যা প্রাকৃতিক নয় । এতে মিহি ময়দা ব্যবহার করা হয় আর একে মুচমুচে করতে এই খাবারগুলো কে হাইড্রোজনেড তেলে ভাজা হয় যাতে আছে ট্রান্স চর্বি যা ময়দার প্রলেপ কে শক্ত করে । এই খাবার গুলো তে আছে  উচ্চ মাত্রায় সোডিয়াম, সম্পৃক্ত চর্বি আর নিম্ন গুনের প্রনালি ।

সংরক্ষক ক্যান্সারের সুত্র আর ট্রান্স চর্বি তে হৃদ রোগ আর মোটা হওয়ার প্রবণতা বাড়ায় ।

 

৪। বাচ্চাদের আহার

সুত্র –  https://cdn.pixabay.com/photo/2015/10/12/15/18/food-984394_960_720.jpg

বেশির ভাগ ফাস্ট ফুড রেস্তোঁরা গুলো বাচ্চাদের জন্য আলাদা মিল রাখে  তাতে থাকে বার্গার , গ্রিল্ড স্যান্ডউইচ বা ওই জাতীয় কিছু , ফ্রেঞ্চ ফ্রাইজ , আর চিনি বেশি এমন কোনও পানীয় । এই সব খাবার অস্বাস্থ্যকর । মিহি ময়দা , প্রক্রিয়াজাত আলু , আর বেশি পরিমাণে চিনি এই সব খাবারে থাকে । এছারাও এতে আছে উচ্চ মাত্রায় লবন , সংরক্ষক আর খাবার রঙ ।

খাবারের রঙে সিসা আছে যা বাচ্চাদের ক্রমবিকাশ আর স্নায়ুতন্তের সমস্যা আনে , এতে রক্তের চাপ বৃদ্ধি পায় আর পরবর্তীকালে কিডনির রোগ দেখা দেয় ।

 

৫। ডুবিয়ে খাবার সস

সুত্র –  https://upload.wikimedia.org/wikipedia/commons/8/84/Lunch_sauces.jpg

সস যেমন কেচাপ , যাতে আছে প্রচুর মসলা আর উচ্চ পরিমানে লবন আর চিনি । এই সব মসলা অনেক ক্যালোরি বহন করে আর অবাঞ্ছিত চর্বি খাবারে প্রদান করে । এটা খাবারের স্বাদ বদলে দেয় ।

এটা এড়িয়ে চললে বাচ্চাদের শুধু অস্বাস্থ্যকর খাবার থেকে দূরে রাখা যাবে তাই নয় সাথে তাদের শেখানো যাবে কিভাবে তৃপ্তি করে খাওয়া যায় আর আসল খাবারের স্বাদ পাওয়া যায় ।

 

৭। ফলের খাবার বা স্নাক

সুত্র –  https://cdn.pixabay.com/photo/2018/06/19/23/25/sugar-3485430_960_720.jpg  

ফলের খাবার যেমন ফলের জেলি , ফলের রোল আর অন্যান্য খাবার যাতে আছে উচ্চ পরিমানে চিনি । যদিও নির্মাতারা এখন বলছেন আসল ফল দিয়ে খাবার বানাচ্ছেন , কিন্তু যদি লেবেল পরা হয় তাহলে বুঝবেন ফলের মাত্রা মাত্র ১০ % , বাকি ৯০ % উষ্ণ চিনি ।

স্বাস্থ্যকর খাবার সুস্বাস্থ্য এর  প্রতীক । যদি এই অভ্যাসটা শুরুতেই হয় ,তাহলে বাচ্চার  খাওয়ার স্বভাব সঠিক থাকবে আর স্বাস্থ্য ভালো থাকবে । তাই এই সব ওপরের খাবার গুলো কে বর্জন করুন আর বাচ্চাকে একটা স্বাস্থ্যকর জীবন প্রদান করুন ।

    SHARE
  • whatsapp
  • fb
  • pin-trust
  • twitter

HOME / কিছু অভ্যাস যা আপনার ত্বক কে আরও বেশি অকালে বয়স্ক করে তোলে

কিছু অভ্যাস যা আপনার ত্বক কে আরও বেশি অকালে বয়স্ক করে তোলে

Team BetterButter |

BLOG TAGS

Skincare

কিছু অভ্যাস যা আপনার ত্বক কে আরও বেশি অকালে বয়স্ক করে তোলে

এটা সত্যি বয়সের সাথে ত্বকে জেল্লা , নমনীয়তা কমে আসে । এতে আমাদের করণীয় কিছু নেই কারণ এটাই প্রকৃতির নিয়ম । কিন্তু অনেক সময় দেখা যায় কিছু মহিলাদের ক্ষেত্রে তাদের ভুল ত্বকের যত্ন নেওয়ার ফলে , সময়ের অনেক আগেই তাঁদের ত্বকে বয়সের ছাপ পড়ে যায় । তাঁদের অজান্তেই তারা ত্বকের ক্ষতি করে ফেলে , আর তারা নিজেরাও সেটা বুঝতে পারেন না । আশা করছি আপনারা এমন কিছু ত্বকে করেন না ? চলুন আমরা আলোচনা করি সেই সব অভ্যাস গুলো নিয়ে ঃ

 

১। প্রয়োজনের তুলনায় বেশিমাত্রায় মুখে স্ক্রাব করা

মুখে স্ক্রাব করার মাধ্যমে মৃত কোষ সরে যায় আর ত্বকের শুষ্ক আস্তরণ তুলে দিয়ে ভালো করে পরিষ্কার করে । কিন্তু আপনি কি জানেন কতক্ষণ এই প্রক্রিয়া করবেন আর কতক্ষণ বিরতি দিয়ে ? যদিও এটা সম্পূর্ণ নির্ভর করে আপনার ত্বকের উপর , যদি আপনার ত্বকে  শুষ্ক , লাল ভাব , আর লাল লাল ফুসকুড়ি থাকে তাহলে বুঝবেন আপনি অতিরিক্ত প্রয়োজনের থেকে বেশিমাত্রায় স্ক্রাব করছেন । বিশেষজ্ঞরা বলেন সাধারণ ত্বক থেকে মিশ্রণ ত্বক সপ্তাহে ৩ বার ভালো করে স্ক্রাব করা উচিত আর ৫ বার সপ্তাহে যাদের তৈলাক্ত ত্বক আর সপ্তাহে ১ বা ২ বার সূক্ষ্ম ত্বকের জন্য ।

 

২। বার্ধক্য বিরোধী ক্রিম

বার্ধক্য বিরোধী ক্রিম ত্বকের সূক্ষ্ম রেখা , বলিরেখা পড়তে দেয় না আর জাদুর মতো কাজে দেয় । কিন্তু এতে পুরোপুরি নির্ভর করবেন না আপনার ত্বকের যত্ন নেওয়ার জন্য । এটা জরুরী যাতে আপনার মুখে  বলিরেখা না পরে , আর তার জন্য আপনার প্রয়োজন নিজের ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখা । যত আপনার ত্বকে আর্দ্রতা থাকবে তত কম ক্ষতি হবে , আর এর নমনীয়তা বহুকাল থাকবে আর বয়স কালে বলিরেখা কম পরবে । এর কিছু সহজ উপায় আছে যেমন ঃ

 

১। সূর্যের তাপ এড়িয়ে চলুন

সূর্যের আলো একদম এড়িয়ে চলুন , কিন্তু যখনই আপনি বাড়ির বাইরে যাবেন মনে রাখবেন একটা ভালো সান স্ক্রিন খুব প্রয়োজনীয় । সানস্ক্রিন যাতে আছে এস পি এফ এর মাত্রা ৩০ বা তার বেশি হলে ভালো হয় ।

 

২। কি করে মুখ শুকনো করবেন তোয়ালে দিয়ে

যখনই আপনি মুখ ধোবেন , মুখ ঘষবেন না ,শুধু ভালো করে তোয়ালে দিয়ে শুকিয়ে নিন আর তারপর নিজে থেকে হওয়ায় শুঁকোতে দিন । সব সময় আলাদা তোয়ালে মুখের জন্য ব্যবহার করবেন , সময় মতো মুখের তোয়ালে বদলাবেন যাতে কোনও ত্বকের সংক্রমণ না হয় ।

 

৩। চুল খুলে ঘুমানো

চুল খুলে ঘুমানোর সময় ,সেটা ত্বকের সাথে সংস্পর্শে আসে আর চুলে থাকা  কন্ডিশনার আর শ্যাম্পু , সূক্ষ্ম ত্বকের ক্ষতি করে ত্বকের ছিদ্র দিয়ে প্রবেশ করে । এই সমস্যার সমাধান হল আপনি চুল বেধে রাখুন বা কোন কাপড় ম জরিয়ে রাখুন ঘুমানোর সময় ।

 

৪। আপনার বালিশ আর তার ঢাকা

মুখের ব্রণ কোনো সংক্রমণ থেকে হয় যখন আপনার ত্বক কোনও বস্তুর সংস্পর্শে আসে । এর থেকে বাঁচার উপায় হল আপনি বালিশের ঢাকা বদলান প্রতি সপ্তাহে যাতে ধুলো আর ঘাম যা ঢাকা তে থাকে আপনার ত্বকের তেমন কোনও ক্ষতি না করতে পারে ।

 

৫। মুখে মাটির মাস্ক  লাগাতে ভুলবেন না

বিশেষজ্ঞরা বলেন মাটির মাস্ক এর দারুন গুণ আছে ত্বকের জন্য , কিন্তু বেশির ভাগ মানুষ তা প্রতিদিন ব্যবহার করেন না । মাটির এই মাস্ক এ ভালো অ্যাস্ট্রিঞ্জেন্ট আছে আর প্রদাহ বৈশিষ্ট্য , এটা ত্বকের দাগ , ছোপ , লাল ভাব , ফোলা ভাব ,ত্বকের ছিদ্র পরিষ্কার করে , আর চোখের তলা থেকে কালো দাগ আর ফোলা ভাব কমায় । চিনামাটির ব্যবহার করুন সাধারণ ত্বকের জন্য,গোলাপের মাটি সূক্ষ্ম ত্বকের জন্য ,ফরাসী সবুজ মাটি তৈলাক্ত ত্বকের জন্য ।

 

৬। সেই সব খাবার খান যা আপনার ত্বকের জন্য উপযুক্ত

ত্বকের বন্ধু এমন খাবার খেতে বেশির ভাগ মানুষ ভুলে যান । খাবার যেমন ব্রকলি , টমেটো , পিচ , চর্বি জাতীয় মাছ , লাল আর হলুদ ক্যাপ্সিকাম , সয়বিন , ডার্ক চকলেট , ইত্যাদি খাবারে রোজ খান যা আপনাকে অনেক কম বয়েস দেখাবে ।

আর পরিশেষে আপনি ত্বকের সমস্যা না লুকিয়ে এই সমস্যার সমাধান করুন । ত্বকের সমস্যা মেক আপ দিয়ে না ঢেকে কোনও ভালো ত্বকের বিশেষজ্ঞ কে দেখান , আর সঠিক উপায় জেনে নিন সমাধানের । একবার আপনি এর সমাধান পেয়ে যান আপনি নিজেই ত্বকের যত্ন নিতে পারবেন অনেক দিন ধরে ।

 

Image Source: maxpixel , pexels, Wikimedia Commons,  pixart, ru.kisspng.com, Public Domain Pictures

    SHARE
  • whatsapp
  • fb
  • pin-trust
  • twitter