বাচ্চাদের স্বল্প ওজন বৃদ্ধি আজকাল ভারতীয় অভিভাবকদের উদ্বেগ এর এক বড় কারণ। বাচ্চাদের স্বাস্থকর খাবার খাওয়ানো এক বিশাল সমস্যা হয়ে ওঠে তাদের মুখের স্বাদের খেয়াল রেখে। আভিভাবকেরা বেশির ভাগ ক্ষেত্রে ডাক্তারদের পরামর্শ নেয় জানতে কোন কোন খাবার খাওয়ালে বাচ্চাদের ওজন বাড়বে এবং স্বাস্থ্য ভালো থাকবে।
আপনি মনে কি করেন যে আপনার বাচ্চা বয়স আন্দাজে কম ওজনের?
আপনি কি চিন্তিত আপনার বাচ্চাকে রোগা লাগছে বলে?
তাহলে আপনার জন্য রইল ১১টি বাচ্চাদের ওজন বৃদ্ধির সহায়ক খাবারের তালিকা।
1.ঘি
ঘি হল অতি প্রাচীন এবং বিশ্বাসী পদ্ধতি বাচ্চাদের ওজন বৃদ্ধির জন্য। আপনি বাচ্চার ৮ মাস বয়স হয়ে গেলেই খাবারে ঘি দিতে পারেন,এটা হজম করতে সুবিধা হয় এবং খাবার সুস্বাদু বানায়।
2. মিষ্টি আলু
মিষ্টি আলু বাচ্চাদের ওজন বাড়াতে সাহায্য করে, এবং এই দিয়ে নানা সুস্বাদু খাবার বানানো যায় যেমন আলু চাট ,ফ্রেঞ্চ ফ্রাইস এবং প্যানকেক।
3.ড্রাই ফ্রুটস
দিনে এক মুঠো নানারকম ড্রাই ফ্রুটস খেলে ওজন বৃদ্ধি পায় । আপনার বাচ্চার ১০ মাস বয়সের পর থেকে ড্রাই ফ্রুটস গুঁড়ো করে খাবারের সাথে দিন আর তফাত টা নিজেই দেখুন।
4. রাগি
রাগি বাচ্চার ওজন বৃদ্ধিতে এক অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে,এটা সহজে হজম হয় এবং এই দিয়ে নানা রকম খাবার বানানো হয় যেমন ধোসা , ইডলি, লাড্ডু, প্যানকেক, কুকি আর খিচুড়ি ।
5. অ্যা ভাকাডো
সুস্বাদু আর স্বাস্থ্যকর অ্যাভাকাডো কম ওজনের বাচ্চাদের ওজন বৃদ্ধি পেতে সাহায্য করে, বাচ্চার ৬ মাস বয়েসের পর থেকে অ্যাভাকাডো দেওয়া যেতে পারে, অ্যাভাকাডো দিয়ে টোস্ট, সরবত,আইসক্রিম বানিয়ে দিয়ে দেখুন বাচ্চারা কেমন পছন্দ করে খায় ।
6. ডিম
ডিম খুবই উপকারী, ডিম বাচ্চাদের ১ বছর বয়েস থেকে দিতে পারেন, টোস্ট, ডিমের ঝুরি,ভাতের সাথে অথবা স্যালাড ও ডিম দিতে পারেন ।
7. মুরগি আর খাসির মাংস
যারা আমিষ্ খান বাচ্চাদের ৮ মাস বয়েস থকেই মাংস দিতে পারেন, সুপ, পাতলা ঝোল করে ভাত বা রুটির সাথে ।
8.কড়াইশুঁটি
কড়াইশুঁটি সব থেকে পুষ্টিকর খাবার বাচ্চাদের জন্য, বাচ্চাদের কড়াইশুঁটির সুপ করে দিন, ভাত অথবা রুটির সাথে খাওয়ার জন্য অন্য কিছু সবজি মিশিয়ে তরকারিও করে দিন।
9. কলা
কলা হল সব থেকে সহজ পদ্ধতি ওজন বাড়ানোর , বাচ্চাদের রোজ সকালে কলা এক গ্লাস দুধের সাথে মিশিয়ে য়ে দিন বা ধোসা,প্যান কেক,কেক বানিয়ে দিন কলা দিয়ে
10. খেজুর
খেজুর এমন একটা ফল যা সারাবছর পাওয়া যায় এবং ওজন বৃদ্ধি পেতে সাহায্য করে, এটা মিষ্টি, কেক, বা অন্য কোন মিষ্টি রান্না তে দেওয়া যেতে পারে।
11. ওটস্
ওটস্ ওজন নিয়ন্ত্রনে রাখে, পেট পরিষ্কার রাখে, কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। ওটস্ খুব পুষ্টিকর খাবার জলখাবার হিসাবে, ওটস দিয়ে প্যান কেক, কুকি, উপমা,, ইডলি এবং খিচুড়ি ও করা যায়।

