Site icon BetterButter Blog: Indian Food Recipes, Health & Wellness Tips

ম্যালেরিয়া হওয়ার কিছু লক্ষণ আর কারণ যা এড়িয়ে যাওয়া উচিত না

ম্যালেরিয়া এক প্রকার সংক্রামক রোগ যা মশা থেকে হয় , যে মশা বহন করে প্লাজমোডিয়াম প্যারাসাইট (পরজীবী জীবাণু )যখন এই মশা একজন ব্যক্তিকে কামড়ায়, তখন প্লাজমোডিয়াম জীবাণু কে আপনার যকৃতে প্রেরণ করে এবং এই জীবাণু আস্তে আস্তে আপনার লিভার এ বংশবৃদ্ধি করতে থাকে যকৃত থেকে এই জীবাণু রক্তের প্রবাহের মধ্যে প্রবেশ করে, যা ঘন ঘন লাল রক্ত ​​কোষকে বা লোহিত রক্তকণিকা কে  সংক্রমিত করে। দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে এই জীবাণুগুলি বড় হয়ে ফেটে রক্তের মাধ্যমে আপনার সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়ে

ম্যালেরিয়া মহামারির আকার নেয় যদি সঠিক সময় চিকিৎসা না হয় । তাই এই রোগের কারণ এবং উপসর্গ জেনে নিয়ে নিজেকে এবং পরিবারকে এই মারণরোগের হাত থেকে থেকে প্রতিরোধ করুন

 

কারণ (causes)

ম্যালেরিয়া হয়নোফেলিস মশার দ্বারা। ম্যালেরিয়া শুধু রক্তের মাধ্যমেই সংক্রামিত হয় না বরং অঙ্গ প্রতিস্থাপনের সময় রক্ত ​​সঞ্চালন, সংক্রমিত সিরিঞ্জ বা সূঁচ, এমনকি মায়ের থেকে তার শিশুর জন্মের সময় রক্ত ​​প্রবাহের মাধ্যমে এটি সংক্রমিত হতে পারে ।

যদিও চার ধরণের প্যারাসাইট বা জীবাণু (প্লাজমোডিয়াম)  আছে যা এই রোগের কারণ হতে পারে – ভিভ্যাক্স, ফ্যালসিপেরাম, ম্যালেরিয়া এবং ওভালসবথেকে ক্ষতিকারক হলো ফ্যালসিপেরাম যার ফলে মৃত্যু পর্যন্ত ঘটতে পারে ।

 

ম্যালেরিয়ার কিছু উপসর্গ যার থেকে সতর্ক থাকুন ( symptoms )

ম্যালেরিয়ার উপসর্গ ১০ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে দৃশ্যমান হতে পারে উপসর্গের প্রকাশ এবং রোগের তীব্রতা ব্যাক্তি ম্যালেরিয়ার কোন প্লাজমোডিয়াম বা জীবাণুর দ্বারা সংক্রমিত হয়েছে তার উপর নির্ভর করে

সাধারণ অথবা কম ক্ষতিকর ম্যালেরিয়ার উপসর্গগুলি হলো ক্লান্তি, বিরক্তিকরভাব , বমি,  মাথা ব্যথার সঙ্গে কাঁপুনি দিয়ে জ্বর, পেশী ব্যথা, পেটে ব্যথা, ডায়রিয়া এবং অতিরিক্ত ঘাম হওয়া । এটি গুরুতর পর্যায়ে পৌঁছে গেলে, লাল রক্ত ​​কণিকাগুলির নষ্ট হয়ে যাওয়ার প্রবণতা দেখা যায় , তখন একজন ব্যক্তির রক্তাল্পতা বা অ্যানিমিয়া, হৃদরোগ, কোমা, অচেতনতা, কিডনি নষ্ট, রক্তে শর্করার পরিমাণ কমে যাওয়া, বিভ্রান্তি এমনকি মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।

কি করে ম্যালেরিয়া প্রতিরোধ করবেন

ক্রান্তীয় অঞ্চল এবং উপ-ক্রান্তীয় অঞ্চলে যাওয়া থেকে বিরত থাকুন কারণ এই সব জায়গায় মশার উপদ্রব বেশি , এই সমস্ত অঞ্চল এর জলবায়ু  ম্যালেরিয়ার জীবাণু বাহিত মশার বংশবৃদ্ধির জন্য আদর্শ যদি আপনি যাওয়া না এড়াতে পারেন তাহলে মশার প্রকোপ থেকে নিজেকে রক্ষা করার জন্য সঠিক ঔষধগুলি নিন (এই জন্য আপনার ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করুন) ঔষধ ছাড়াও, কিছু মৌলিক প্রতিরোধ ব্যবস্থাও অনুসরণ করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ:

)হালকা রঙের, পূর্ণ আচ্ছাদিত জামাকাপড় পরিধান করুন

)যতটা সম্ভব নিজেকে আবৃত অথবা ঢেকে রাখুন

)প্রাকৃতিক তেল যেমন লেমনগ্রাস তেল প্রয়োগ করুন , এই তেল মশা তাড়ানোর ঔষধ হিসাবে কাজ করে ।

)মশারি ব্যাবহার করুন,জানলায় মশার নেট বা জাল লাগান,খোলা জলাধার থাকলে মশার নেট বা জাল দিয়ে ঘিরে দিন ।

)মশা মারার স্প্রে ব্যবহার করুন