থাইরয়েড এমন ই একটা রোগ যা থাইরয়েড গ্রন্থির ক্ষতির ফলে হয় । থাইরয়েড গ্রন্থির হরমোন পুরো শরীরের বিপাক অথবা মেটাবলিজম কে রক্ষা করে । যদি আপনি থাইরয়েড এ ভোগেন তাহলে এর প্রভাব আপনার শরীরে বিভিন্নভাবে পরবে যেমন চুল পড়া , রোগা বা মোটা হয়ে যাওয়া , হতাশা , শরীরের তাপমাত্রা কম হওয়া ইত্যাদি । তাই এটা খুব কঠিন বোঝা কি করে শরীরের সঠিক যত্ন নেবেন যখন আপনি থাইরয়েডে আক্রান্ত ।
কি কি করবেন যখন আপনি থাইরয়েড এ আক্রান্ত –
১। সেই সব খাবার খান যাতে উচ্চ পরিমানে ভিটামিন আর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আছে-
মাছ, বাদাম , তিল , কাঁকড়া ,কাঠবাদাম(আলমন্ড), ফল আর সবজি যাতে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন, আয়রন, মিনেরেল আছে এই সব রোজ খাওয়া আবশ্যক । এটা আপনার রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা কে বাড়ায় আর জ্বালা ভাব কমায় ।
২। প্রতিনিয়ত পরীক্ষা করা-
যখন আপনার থাইরয়েড ধরা পড়েছে তখন কোনও ভালো পরীক্ষাগার থেকে রক্ত পরীক্ষা করাবেন , ডাক্তার এর দেওয়া ওষুধ নিয়মিত খাবেন আর থাইরয়েড এর পরীক্ষা প্রত্যেক ৬ মাসে করাবেন ।
৩। প্রচুর পরিমানে জল খান-
আপনার যখন থাইরয়েড আছে তখন আপনার ডিসটিল জল অথবা ভালো করে জল ফুটিয়ে গরম করে তারপর ঠান্ডা করে খাওয়া উচিত কারন এই জল ক্লোরিন আর ফ্লোরাইড মুক্ত । জল আপনার কিডনি আর লিভার কে ভালো রাখে আর তাদের ভালো ভাবে কাজ করতে সহায়তা করে ।
৪। যোগ আসন আর হাঁটাহাঁটি –
রোজ হাঁটাহাঁটি করুন এতে আপনার মেটাবলিক বা বিপাকীয় হার বাড়বে , যোগ আসন হচ্ছে আর একটা সব থেকে ভালো উপায় থাইরয়েড কে পুরোপুরি নির্মূল করার ।
কি কি করবেন না , যখন আপনি থাইরয়েডে ভুগছেন
১। অন্য কোনও ওষুধ খাবেন না-
যখন আপনি থাইরয়েড এর ওষুধ নিচ্ছেন তখন অন্য কোন ওষুধ ডাক্তার কে না জিজ্ঞাসা করে খাবেন না । এতে আপনার শরীরে থাইরক্সিন্ এর প্রভাব কম হয়ে যাবে ।
২। থাইরয়েড হয় এমন কোন খাবার খাবেন না-
চীনেবাদাম ,বাঁধাকপি , সয়বিন , ব্রকলি , সর্ষে , তিসি , কালে পাতা, ফুল কপি , এই সব খাবার আপনার শরীরে আয়োডিন পৌছাতে দেয় না ফলে থাইরয়েড বেড়ে যায় ।
৩। মদ আর ধূমপান থেকে বিরত থাকুন-
মদ আর ধূমপান র মতো অভ্যাস আপনার থাইরয়েড গ্রন্থিকে কে ক্ষতিগ্রস্থ করবে সঠিক ভাবে কাজ করার থেকে সেই সব রাসায়নিক এর দ্বারা যা আপনার শরীরে এগুলোর মধ্যমে ঢুকছে ।

