Search

HOME / ৭ টা খাবার যা বাচ্চাদের কখনই দেবেন না

৭ টা খাবার যা বাচ্চাদের কখনই দেবেন না

Team BetterButter | ডিসেম্বর 4, 2018

বাচ্চাদের স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া উচিত কিন্তু সব সময় সেটা সম্ভব হয়ে ওঠেনা , কারণ ছোট ছোট বাচ্চারা মাঝে মাঝে তাদের পছন্দের কিছু খাবার খেতে চায় যেগুলো হয়তো স্বাস্থ্যকর নয় । কখনও কখনও বাচ্চাদের সে সমস্ত খাবার দিতে অভিভাবকরা বাধ্য হয় ,। বাচ্চাদের এই পছন্দের খাবারের মধ্যে এমন কিছু খাবার আছে যা বাচ্চাদের দেওয়া যায় যদিও তা খুব স্বাস্থ্যকর না কিন্তু এমন কিছু কিছু খাবার আছে যার জন্য একটা কথাই প্রযোজ্য বাচ্চাদের জন্য একদম না ।

এখানে কিছু খাবারের তালিকা আছে যা বাচ্চাদের একদম খাওয়াবেন না ঃ

 

১। ফলের রস

সুত্র-https://www.maxpixel.net/static/photo/1x/Fruit-Juices-Tomatoes-Tomato-Juice-Tomatoes-Juice-810036.jpg  

বাচ্চারা আর তাদের অভিভাবকেরা দুজনেই ফলের রস খেতে ভালো বাসেন । এই সব বোতলের ফলের রসের রঙ, লেবেল আর সুন্দর বিজ্ঞাপন এই সব ফলের রস কে আরও বেশি আকর্ষণীয় করে তোলে। যদিও এই সব ফলের রস খুব মিষ্টি আর প্রচুর পরিমাণে চিনি আছে । বাচ্চাদের সারাদিনের চিনির পরিমাপের থেকে অনেক বেশি চিনি থাকে এই সব ফলের রসে ।

অতিরিক্ত চিনির মাত্রা বাচ্চাদের পক্ষে ক্ষতিকারক । অনেক গবেষণার দ্বারা জানা গেছে চিনি তে দাঁত নষ্ট হয় , হৃদ রোগের আশঙ্কা থাকে আর অতিরিক্ত মোটা হওয়ার সম্ভাবনা দেখা যায় । এর ফলে বাচ্চাদের আচরণে প্রভাব দেখা যায় ।

 

২। প্রক্রিয়াকৃত মাংস

সুত্র –  https://cdn.pixabay.com/photo/2014/09/07/19/11/grill-438218_960_720.jpg  

প্রক্রিয়াকৃত মাংস তে আছে প্রচুর পরিমানে প্রিজারভেটিভ বা সংরক্ষক আর অস্বাস্থ্যকর চর্বি আর আছে উচ্চ পরিমানে লবন আর সোডিয়াম । প্রক্রিয়াজাত মাংস খাওয়ার জন্য শিশুদের উৎসাহিত করা মানে (চিকেন প্যাটিজ, হ্যাম, সসেজ, ইত্যাদি) তাদের জীবনে হৃদরোগ ও অন্যান্য সমস্যাগুলির ঝুঁকি বাড়িয়ে দেওয়া ।

 

৩। ফ্ল্যাশ ফ্রায়েড ( ভাজা ) খাবার

সুত্র-  https://commons.wikimedia.org/wiki/File:KFC_-_Pressure-fried_Chicken_Wings_-_Kolkata_2013-02-08_4444.JPG

এই সব ভাজা খাবারে থাকে অনেক বেশি সংরক্ষক বা প্রিজারভেটিভ আরও অনেক কিছু যা প্রাকৃতিক নয় । এতে মিহি ময়দা ব্যবহার করা হয় আর একে মুচমুচে করতে এই খাবারগুলো কে হাইড্রোজনেড তেলে ভাজা হয় যাতে আছে ট্রান্স চর্বি যা ময়দার প্রলেপ কে শক্ত করে । এই খাবার গুলো তে আছে  উচ্চ মাত্রায় সোডিয়াম, সম্পৃক্ত চর্বি আর নিম্ন গুনের প্রনালি ।

সংরক্ষক ক্যান্সারের সুত্র আর ট্রান্স চর্বি তে হৃদ রোগ আর মোটা হওয়ার প্রবণতা বাড়ায় ।

 

৪। বাচ্চাদের আহার

সুত্র –  https://cdn.pixabay.com/photo/2015/10/12/15/18/food-984394_960_720.jpg

বেশির ভাগ ফাস্ট ফুড রেস্তোঁরা গুলো বাচ্চাদের জন্য আলাদা মিল রাখে  তাতে থাকে বার্গার , গ্রিল্ড স্যান্ডউইচ বা ওই জাতীয় কিছু , ফ্রেঞ্চ ফ্রাইজ , আর চিনি বেশি এমন কোনও পানীয় । এই সব খাবার অস্বাস্থ্যকর । মিহি ময়দা , প্রক্রিয়াজাত আলু , আর বেশি পরিমাণে চিনি এই সব খাবারে থাকে । এছারাও এতে আছে উচ্চ মাত্রায় লবন , সংরক্ষক আর খাবার রঙ ।

খাবারের রঙে সিসা আছে যা বাচ্চাদের ক্রমবিকাশ আর স্নায়ুতন্তের সমস্যা আনে , এতে রক্তের চাপ বৃদ্ধি পায় আর পরবর্তীকালে কিডনির রোগ দেখা দেয় ।

 

৫। ডুবিয়ে খাবার সস

সুত্র –  https://upload.wikimedia.org/wikipedia/commons/8/84/Lunch_sauces.jpg

সস যেমন কেচাপ , যাতে আছে প্রচুর মসলা আর উচ্চ পরিমানে লবন আর চিনি । এই সব মসলা অনেক ক্যালোরি বহন করে আর অবাঞ্ছিত চর্বি খাবারে প্রদান করে । এটা খাবারের স্বাদ বদলে দেয় ।

এটা এড়িয়ে চললে বাচ্চাদের শুধু অস্বাস্থ্যকর খাবার থেকে দূরে রাখা যাবে তাই নয় সাথে তাদের শেখানো যাবে কিভাবে তৃপ্তি করে খাওয়া যায় আর আসল খাবারের স্বাদ পাওয়া যায় ।

 

৭। ফলের খাবার বা স্নাক

সুত্র –  https://cdn.pixabay.com/photo/2018/06/19/23/25/sugar-3485430_960_720.jpg  

ফলের খাবার যেমন ফলের জেলি , ফলের রোল আর অন্যান্য খাবার যাতে আছে উচ্চ পরিমানে চিনি । যদিও নির্মাতারা এখন বলছেন আসল ফল দিয়ে খাবার বানাচ্ছেন , কিন্তু যদি লেবেল পরা হয় তাহলে বুঝবেন ফলের মাত্রা মাত্র ১০ % , বাকি ৯০ % উষ্ণ চিনি ।

স্বাস্থ্যকর খাবার সুস্বাস্থ্য এর  প্রতীক । যদি এই অভ্যাসটা শুরুতেই হয় ,তাহলে বাচ্চার  খাওয়ার স্বভাব সঠিক থাকবে আর স্বাস্থ্য ভালো থাকবে । তাই এই সব ওপরের খাবার গুলো কে বর্জন করুন আর বাচ্চাকে একটা স্বাস্থ্যকর জীবন প্রদান করুন ।